Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

১.০ পটভূমিঃ

১৯৫৪ এবং ১৯৫৫ সােলর উপর্যুপরি ভয়াবহ বন্যার পর বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো লক্ষ্যে ১৯৫৭ সনে জাতিসংঘের অধীনে গঠিত “ক্রুশ মিশন”এর সুপারিশক্রমে এতদঞ্চলের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৫৯ সনে পূর্ব পাকিস্তান পানি ও বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (ইপিওয়াপদা) গঠন করা হয়। স্বাধীনতার পর পর ১৯৭২ সনের মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশ নং-৫৯ মোতাবেক ইপিওয়াপদা এর পানি অংশ একই Mandate নিয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) নামে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে গঠিত হয়। অতঃপর বাপাউবো আইন ২০০০ অনুসারে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীণ বাপাউবো পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশের শীর্ষ স্থানীয় সংস্থা হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

 

২.০ উদ্দ্যশ্যঃ

নাগরিক সনদ প্রণয়নের উদ্দেশ্য হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে বাপাউবোর সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা।

 

২.১ প্রকল্প প্রণয়নঃ

স্থানীয় জনগণের মতামত, চাহিদা বা প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে আলোচনার ভিত্তিতে বটম আপ পদ্ধতিতে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়, অর্থাৎ উপর থেকে (টপ ডাউন) প্রকল্প চাপিয়ে দেয়া হয় না। প্রাথমিক অনুসন্ধান, যাচাই-বাছাইয়ের পর বিস্তারিত সমীক্ষা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (Development Project Proposal/Proforma-DPP) বা ডিপিপি প্রস্তুত করা হয়। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয়ের আর্থিক সীমা অনুসারে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশণ বা একনেক কর্তৃক ডিপিপি অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী বা এডিপি প্রণয়ন করা হয়। অতঃপর প্রচলিত সরকারী বিধি বিধান, নীতি ও আইন অনুসারে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়।

 

২.২ সংক্ষিপ্ত সাফল্যঃ (জুন ২০০৯ পর্যন্ত)ঃ

 

সমাপ্ত প্রকল্পের সংখ্যাঃ ৭০৯টি।

vমোট বাধ

        উপকূলীয় বাধ

        অন্যান্য বাধ

vসেচ খাল

vনিষ্কাশন খাল

vহাইড্রোলিক ষ্ট্রাকচার

vব্যারেজ

vব্রীজ/কালভার্ট

vরাস্তা নির্মাণ (কাচা ও পাকা)

                        ১০.২২৪ কিমি

                        ৪.৫৩০   কিমি

                          ৫.৬৯৪ কিমি

                          ৫,১৭৩ কিমি

                          ৪,১৯৫ কিমি

                        ১৪,১২৬ টি

                                ৪ টি

                          ৫,৬০০ টি

                          ১,০৩১ টি

নদী ভাঙ্গনরোধ ও তীর সংরক্ষণ কাজঃ

vমোট গ্রোয়েন/স্পার নির্মাণ

vমোট রিভেটমেন্ট কাজ

vবৃহৎ শহর সংরক্ষণ

vউপজেলা শহর সংরক্ষণ

vমোট ব্যয়

vপ্রতিরক্ষামূলক সম্পদের মূল্য

২২০টি

৫৬১ কিমি

২০টি শহর

৭০ টি শহর

৫,৬০০ কোটি টাকা

৪৬,০০০ কোটি টাকা

 

৩.০ বাপউবো কার্যাবলীঃ

 

বাপউবো আইন ২০০০ অনুসারে বাপাউবোর সার্বিক কার্যাবলী পরিচালিত হয়। জাতীয় পানি নীতি-১৯৯৯ ও জাতীয় পানি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা-২০০৪ এর আলোকে এবং অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে বোর্ড নিম্নবর্ণিত কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্প প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, পরিচালন, রক্ষণাবেক্ষণ ও মূল্যায়ন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করে। বাপাউবোর সার্বিক কার্যাবলী প্রধানত দুই প্রকার, যথা কাঠামোগত (Structural) এবং অ-কাঠামোগত (Non-Structural) ও সহায়ক কার্যাবলী নিম্নরূপঃ

 

৩.১ কাঠামোগত কার্যাবলীঃ

 

(ক)     নদী ও নদী অববাহিকা নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন, সেচ ও খরা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জলাধারা, ব্যারেজ, বাধ, রেগুলেটর বা অন্য যেকোন অবকাঠামো নির্মাণ;

(খ)      সেচ, মৎস্য চাষ, নৌ-পরিবহন, বনায়ন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও পরিবেশের সর্বিক উন্নয়নের সহায়ত প্রদানের লক্ষ্যে পানি প্রবাহের উন্নয়ন কিংবা  পানি প্রবাহের গতিপথ পরিবর্তনের জন্য জলপথ, খাল-বিল পুনঃখনন।

(গ)      ভূমি সংরক্ষণ, ভূমি পরিবৃদ্ধি    ও পুনরুদ্ধার এবং নদীর মোহনা নিয়ন্ত্রণ;

(ঘ)      তীর সংরক্ষণ ও নদী ভাঙ্গন হতে সম্ভাব্য ক্ষেত্রে শহর, বাজার, হাট এবং ঐতিহাসিক ও জাতীয় জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ সংরক্ষণ;

(ঙ)      উপকূলীয় বাধ নির্মাণ ও সংরক্ষণ;

(চ)      সেচ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও পানীয় জল আহরণের লক্ষ্যে বৃষ্টির পানি ধারণ।

দূরদৃষ্টি(Vision)

ব্রত (Mission)

লক্ষ্য(Goal)

জাতীয় পানি নীতি, জাতীয় পানি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা, অংশগ্রহণ মূলক পানি ব্যবস্থাপনা গাইড লাইন এবং বাপাউবো আইন অনুসারে দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন। ভবিষ্যতে ক্ষুদ্রায়তন পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্প সমূহ (১০০০ হেক্টর পর্যন্ত) স্থানীয় সংগঠনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মাঝারী এবং বড় (১০০১ হেঃ বা তদুর্ধ) প্রকল্প সমূহে স্থানীয় সংগঠনের সমন্বয়ে যৌথ ব্যবস্থপনা চালু করা হবে। এতে অন্তর্ভূক্ত থাকবে;

(ক) সমাজের সকল স্তর, শ্রেণী এ পেশার লোকজনের অংশগ্রহণ ও জীবনমান উন্নয়ন।

(খ) স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের পূর্ণ বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা।

(গ)সকল শ্রেণী ও পেশা, বিশেষত দরিদ্র জনগণের জন্য কার্যকর ও দক্ষ সেবা প্রদান।

(ঘ) পরিবেশ বান্ধব টেকসই উন্নয়ন কৌশল অনুসরণ।

দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও টেকসই উন্নয়ন সাধন। বন্যা, খরা, জলাবদ্ধতা, আন্তর্জাতিক নদীর প্রবাহ, লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত বিরুপ প্রভাব মেকাবেলা ও প্রাকৃতিক পরিবেশের যথাযথ ব্যবস্থাপনায় মাধ্যমে কৃষি, মৎস্য, বন ইত্যাদি ক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়ন সাধন করা। আর্থিক সক্ষমত, সামাজিক ন্যায়বিচার, লিঙ্গ সমতা এবং পরিবেশ সচেতনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের মানুষের জ্ঞান ও সামর্থ্য বৃদ্ধি করা, যাতে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে তারা নিজেরাই সুষ্টু ব্যবহারের লক্ষ্যে পানি সম্পদের পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা করতে পারে।

জাতীয় পানি নীতি অনুসারে বাপাউবোর লক্ষ্য সমুহ হচ্ছে;

-     দারিদ্র বিমোচন

-     - খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা

-     অর্থনৈতিক সামর্থ্য অর্জন

-     জীবনমান উন্নয়ন

-     প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা

 

৫.০ পরিচালনা পরিষদঃ

 

বোর্ডের বিষয়াদি ও কার্যাবলীর সাধারণ পরিচালনা ও প্রশাসন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় মন্ত্রী মহেদয়ের নেতৃত্বে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিষদের উপর ন্যস্ত থাকবে এবং বের্ডে যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করতে পারবে পরিষদেও সে সব ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করতে পারবে।

 

৬.০ সেবাগ্রহীতা (Client)

 

সকল সরকারী ও বেসরকারী সংস্থা, সমাজের সকল শ্রেণীপেশার অধিবাসী, দরিদ্র এবং বিশেষত হতদরিদ্র জনগণ, যারা পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কাঠামোগত ও অ-কাঠামেগত সকল সহায়ক কার্যাবলীর সুবিধা গ্রহণ করেন। বাপাউবোর সকল কার্যাবলীতে সমাজের সুবিধা বঞ্চিত, অনগ্রসর, দরিদ্র এবং হত-দরিদ্র জনগণ বিশেষভাবে বিবেচিত হন। সেবাগ্রহীতা নিকট প্রত্যাশা (১) পানি ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে জারীকৃত সকল সরকারী বিধি, বিধান ও আইন কার্যকর এবং দক্ষতার সহিত অনুসরণ করা; এবং (২) পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এ টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকল্পের সকল স্তরে সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ। সেবা গ্রহীতা (Client/Stakeholder) যে সকল সেবা যে দপ্তরের কাছে পাবে তা পরিশিষ্ট-ক এ সন্নিবেশিত করা হল।

 

 

 

১০.০ সেট সার্ভিস চার্জঃ

 

বাস্তবায়িত বন্য নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প সমূহ জনগণের অংশ গ্রহণের ভিত্তিতে ব্যবস্থপনার লক্ষ্যে প্রকল্প সমুহের পরিচালন, রক্ষনাকবক্ষণ আংশিক ব্যয়ভার সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে সার্ভিস চার্জ হিসাব আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পের উপকৃত কৃষকদের সমন্বয়ে গঠিত পানি ব্যবস্থাপনা সংগঠনকে সার্ভিস চার্জ আদায়ের দায়িত্বসহ আদায়কৃত অর্থ পানি ব্যবস্থাপনা সংগঠনের সহিত আলোচনাক্রমে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ব্যয় করার ব্যবস্থা রেখে বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে প্রকল্প সমূহের জনগণের নিজস্ব মালিকানাবোধ সৃষ্টি, সেচের পানির অপচয় রোধ, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প সুবিধার সুষম বন্টনের মাধ্যমে প্রকল্পের উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়ন এবং সুষ্টু পরিচালন ও টেকসই রক্ষণাবেক্ষনের জন্য স্থানীয় অদধবাসীদের সম্পৃক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বর্তমানে (ক) পাবনা সেচ ও পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প, (খ) মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প, (গ তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্প (১ম পর্যায়) (ঘ) মুহুরী সেচ প্রকল্প; (ঙ) কর্ণফুলী সেচ প্রকল্প, (চ) হারবাংছরি সেচ প্রকল্প, (ছ) টাংগন বাধ প্রকল্প, (জ)বুড়ি তিস্তা প্রকল্প, (ঝ) নারায়নগঞ্জ-নরসিংদি সেচ প্রকল্প,(ঞ) উত্তর রূপগঞ্জ  পানি সংরক্ষণ ও সেচ প্রকল্প, (ট) চাদপুর সেচ প্রকল্প, (ঠ) মনু নদী সেচ প্রকল্প সার্ভিস চার্জের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য প্রকল্প এ ব্যবস্থা আওতাভুক্ত করা হবে।

 

১১.০ জনগণের অংশগ্রহণ (Peoples Participation)ঃ

 

জাতীয় পানি নীতি ও অংশগ্রহণমূলক পানি ব্যবস্থাপনা নিদের্শিকা মোতাবেক অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থানপার নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে সকল প্রকল্পে পানি ব্যবস্থাপনা সংগঠন (WMO) গঠন এবং দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। WMOসমূহ পানি ব্যবস্থাপনা দল/গোষ্ঠিWMG, পানি ব্যবস্থাপনা সমিতি (WMA)এবং পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশন (WMF) সমন্বয়ে গঠিত।

 

১১.১ বোর্ডের পানি ব্যবস্থাপনা সংগঠনঃ

পানি ব্যবস্থাপনা সংগঠন

সংগঠন সংখ্যা

মোট সদস্য সংখ্যা (জন)

মন্তব্য

পানি ব্যবস্থাপনা

৭৮৯৮ টি

২৮২৫৫৪

এযাবৎ ১০৪টি প্রকল্পে WMO’র মাধ্যমে ২৯৭,২২৪ জন সদস্য প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় অবদান রাখছেন। জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা হিসাবে WMOসমূহে হবে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার চালিকা শক্তি এবং স্থানীয় পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার তৃণমূল পর্যন্ত সকল স্তরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষম।

পানি ব্যবস্থাপনা এসোসিয়োশন

১৬৬ টি

১৩৯৯৫

পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশন

৮ টি

৬৭৫

 

জাতীয় পানি নীতি অনুসারে প্রকল্প/উপ-প্রকল্প/স্কীম এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে এবং সফল পরীক্ষামূলক পরিচালন শেষে গৃহীতব্য পদক্ষেপ হবে;

Øবৃহৎ প্রকল্প/উপ-প্রকল্প/স্কীম (৫০০১ হেঃ বা তদুর্ধ) লিজিং, ব্যবস্থাপনা চুক্তি অথবা যৌথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বেসরকারী ব্যবস্থাপনার আওতায় পরিচালিত হেব এবং এ প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়নকারী সংস্থা ও WMOসম্পৃক্ত থাকবে;

Øমাঝারি প্রকল্প/উপ-প্রকল্প/স্কীম (৫০০১ হেঃ পর্যন্ত)   ব্যবস্থাপনা WMOএর নিকট অর্পণ করা হবে,

Øক্ষুদ্রাকৃতি (১০০০ হেঃ পর্যন্ত)   প্রকল্প/উপ-প্রকল্প/স্কীম এর মালিকানা, যেগুলো WMOকর্তৃক সন্তোষজনকভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে, স্থানীয় সরকার সমূহের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

 

সেবা গ্রহীতা (Client/Stakeholder) যে সকল সেবা বা দপ্তরের কাছে পাবে:-             পরিশিষ্ট-ক

ক্রঃনং

সোবা ধরন

সংশ্লিষ্ট দপ্তর

১।

তথ্য ও উপাত্ত

 

 

ক) পানি বিজ্ঞান

পরিচালক পসেসিং সার্কেলের দপ্তর, পানি বিজ্ঞান, ৭২, গ্রীন রোড, ঢাকা।

 

খ) বন্যা পূর্বাভাস

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র, ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল, ঢাকা।

 

গ) প্রকল্প বাস্তবায়ন

মাঠ পর্যায়ে: প্র্রধান প্রকৌশলী/তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী/প্রকল্প পরিচালক/নির্বাহী প্রকৌশলী এর দপ্তর।

কেন্দ্রীয় ভাবে: প্রধান মনিটরিং, পরিচালক, কার্যক্রম/পরিচালক, পওর এর দপ্তর, ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল, ঢাকা।

 

ঘ) ক্রয়

মাঠ পর্যায়ে: প্র্রধান প্রকৌশলী/তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী/প্রকল্প পরিচালক/নির্বাহী প্রকৌশলী এর দপ্তর।

কেন্দ্রীয় ভাবে: পরিচালক, প্রক্রিওরমেন্ট সেল/পরিচালক, প্রচার সেল এর দপ্তর ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল, ঢাকা।

 

ঙ) বাজেট প্রণয়ন, অর্থ বিলি

কেন্দ্রীয় ভাবে: পরিচালক, অর্থ/কার্যক্রম/পওর দপ্তর, ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল, ঢাকা।

 

চ) পেনশন, অর্থ পরিশোধ ইত্যাদি

মাঠ পর্যায়ে: আঞ্চলিক হিসাব কেন্দ্র।

কেন্দ্রীয় ভাবে: পরিচালক, হিসাব রক্ষণ       পরিদপ্তর, আনছার চেম্বার, মতিঝিল, ঢাকা।

 

ছ) অডিট সংক্রান্ত তথ্য

কেন্দ্রীয় ভাবে: পরিচালক, অডিট       পরিদপ্তর, আনছার চেম্বার, মতিঝিল, ঢাকা।

 

জ) অভিযোগ/নিরাপত্তা

কেন্দ্রীয় ভাবে: পরিচালক, শৃঙ্খলা       পরিদপ্তর/পরিচালক, নিরাপত্তা পরিদপ্তর, আনছার চেম্বার, মতিঝিল, ঢাকা।

 

ঝ) ভূমি অধিগ্রহণ

মাঠ পর্যায়ে: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী/প্রকল্প পরিচালক/নির্বাহী প্রকৌশলী এর দপ্তর।

কেন্দ্রীয় ভাবে: পরিচালক, ভূমি ও রাজস্ব পরিদপ্তর, আনছার চেম্বার, মতিঝিল, ঢাকা।

২।

সেচ কাযর্ক্রম ও সেচ কর

নির্বাহী প্রকৌশলী/সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এর দপ্তর।

কেন্দ্রীয় ভাবে: প্রধান পানি ব্যবস্থাপকের দপ্তর, আনছার চেম্বার, মতিঝিল, ঢাকা।

৩।

পানি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন, সেচ কাঠামো   পরিচালনা ও সেচ সংক্রান্ত পরামর্শ

মাঠ পর্যায়ে: প্রধান সম্প্রসারণ কর্মকর্তা/উপ-প্রধান

সম্প্রসারণ কর্মকর্তা/সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এর দপ্তর।

৪।

বন্যা নিয়ন্ত্রণ/পানি নিষ্কশন কাঠামো পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ

মাঠ পর্যায়ে: প্র্রধান প্রকৌশলী/তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী/প্রকল্প পরিচালক/নির্বাহী প্রকৌশলী এর দপ্তর।

কেন্দ্রীয় ভাবে: প্রধান মনিটরিং/পরিচালক পোর এর দপ্তর,  ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা।

৫।

নূতন প্রকল্প গ্রহণ

মাঠ পর্যায়ে: প্র্রধান প্রকৌশলী/তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী/প্রকল্প পরিচালক/নির্বাহী প্রকৌশলী এর দপ্তর।

কেন্দ্রীয় ভাবে: প্রধান পরিকল্পনা,  ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা।

৬।

নদী ভাঙ্গনরোধ

প্রকৌশলী/তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী/প্রকল্প পরিচালক/নির্বাহী প্রকৌশলী এর দপ্তর।

 

৭।

জমি ইজারা/মৎস্য চাষ/বৃক্ষরোপন

মাঠ পর্যায়ে: নির্বাহী প্রকৌশলী এর দপ্তর।

কেন্দ্রীয় ভাবে: ভূমি ও রাজস্ব পরিদপ্তর, বাপাউবো,  ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা।

৮।

যান্ত্রিক সরঞ্জাম এ ড্রোজার ব্যবহার ও ভাড়া

মাঠ পর্যায়ে: প্র্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর, যান্ত্রিক সরঞ্জাম, পাউবো, তেজগাও, ঢাকা/প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর,ড্রোজার, পাউবো, নারায়ণগঞ্জ।